যোগাযোগ
আমাদের সঙ্গে কথা বলুন
প্রশ্নটি লিখে পাঠান। এক কর্মদিবসের মধ্যে একজন পরামর্শক উত্তর দেবেন। জরুরি হলে সরাসরি ফোন করুন।
প্রশ্ন পাঠান
সাধারণ প্রশ্ন
যেগুলো চেম্বারে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা হয়।
কাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক?
করযোগ্য আয় করমুক্ত সীমা (পুরুষ ৩.৫ লাখ, নারী ও জ্যেষ্ঠ নাগরিক ৪ লাখ টাকা) অতিক্রম করলে আয়কর রিটার্ন দাখিল (Income Tax Return Filing) বাধ্যতামূলক। এছাড়া আয় না থাকলেও ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, ব্যাংক ঋণ, ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনা, ক্রেডিট কার্ড ও গাড়ির ফিটনেসে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র (PSR) প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। সঠিক মূল্যায়নের জন্য একজন সার্টিফাইড ইনকাম ট্যাক্স কনসালটেন্ট (Income Tax Consultant in Dhaka)-এর সহায়তা নেওয়া যুক্তিযুক্ত।
শূন্য আয় (Zero Income) থাকলে কি রিটার্ন দাখিল করতে হবে?
হ্যাঁ। আপনার নামে সক্রিয় ই-টিআইএন (e-TIN) থাকলে এবং যেসব ক্ষেত্রে পিএসআর (PSR) আবশ্যক এমন সরকারি বা আর্থিক সেবা গ্রহণ করলে আয় না থাকলেও জিরো রিটার্ন (Zero Tax Return Submission) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। জিরো ট্যাক্স রিটার্ন প্রস্তুতিতে ঢাকা ট্যাক্স বারের অভিজ্ঞ কর আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ কবে এবং সময়মতো দাখিল না করলে কী ক্ষতি হবে?
ব্যক্তি করদাতাদের জন্য প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর কর দিবস (Tax Day)। নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে আয়কর আইন অনুযায়ী মাসিক ২% হারে বিলম্ব সুদ (Delay Interest), জরিমানা এবং বৈধ কর রেয়াত (Tax Rebate) পাওয়ার সুযোগ হারাতে হয়।
কর রেয়াত কীভাবে পাব?
রিটার্নে যোগ্য বিনিয়োগ এবং তার সমর্থক রশিদ প্রদর্শন করে সর্বোচ্চ বৈধ ট্যাক্স রিবেট বা কর রেয়াত (Tax Rebate Calculation) পাওয়া যায় — যেমন স্বীকৃত ডিপিএস (DPS), জীবন বিমার প্রিমিয়াম, ভবিষ্যৎ তহবিল (PF) ও শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত শেয়ারে বিনিয়োগ। রেয়াতের একটি নির্দিষ্ট আইনি ঊর্ধ্বসীমা আছে এবং এটি রিটার্নে সুনির্দিষ্টভাবে ক্লেইম করতে হয়।
এনবিআর থেকে নোটিশ পেলে করণীয় কী?
নোটিশে উল্লেখিত ধারা ও জবাবের শেষ তারিখটি যাচাই করুন। কোনোভাবেই নোটিশ উপেক্ষা করবেন না — নির্দিষ্ট সময়ে জবাব না দিলে বড় অঙ্কের একতরফা নিরূপণ (Ex-parte assessment) ও জরিমানা হতে পারে। নোটিশ ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিয়ে আমাদের কাছে আসুন; সেগুনবাগিচা ও মতিঝিল সার্কেলের জন্য আমাদের অভিজ্ঞ ট্যাক্স আইনজীবী (Tax Lawyer) যথাযথ আইনি জবাব প্রস্তুত করে দেন।
অনলাইনে ই-রিটার্ন (e-Return) দিতে গিয়ে সমস্যা হলে সমাধান কীভাবে পাব?
এনবিআরের অনলাইন পোর্টালে আয় ও সম্পদের তথ্য এন্ট্রি, রেয়াতের ক্যালকুলেশন ও ব্যাংক ড্রাফট/চালান অ্যাডজাস্টমেন্টে সমস্যা হলে আমাদের ই-রিটার্ন সার্ভিস (e-Return Filing Support BD) গ্রহণ করতে পারেন। আমরা তাৎক্ষণিক নির্ভুল ফাইলিং ও অফিশিয়াল প্রাপ্তিস্বীকার পত্র (Acknowledgment Receipt) প্রদান করি।
ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্রের ওপর কর কাটার পর কি ফাইলে দেখাতে হয়?
হ্যাঁ, ব্যাংক বা সঞ্চয়পত্র থেকে উৎসে কর (AIT/TDS) কাটা হলেও তা মোট করযোগ্য আয়ের সাথে যোগ করে রিটার্নে দেখাতে হবে। উৎসে কর কর্তন সনদ (TDS Certificate) জমা দিয়ে প্রদেয় মোট করের বিপরীতে ক্রেডিট সমন্বয় করা যায়।
সম্পদ ও দায়ের বিবরণী (IT-10B) কাদের জন্য বাধ্যতামূলক?
মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে, মোটর গাড়ির মালিক হলে, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ফ্ল্যাট বা জমির মালিকানা থাকলে অথবা বিদেশে সম্পদ থাকলে সম্পদ ও দায়ের বিবরণী (Statement of Assets and Liabilities IT-10B) দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
অনিবাসী বা প্রবাসী বাংলাদেশিদের (NRB) জন্য কর নিয়ম কী?
প্রবাসীদের বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রেরিত রেমিট্যান্স সম্পূর্ণ করমুক্ত। তবে বাংলাদেশে থাকা সম্পদ যেমন বাড়িভাড়া, ব্যবসা বা মূলধনি লাভ থেকে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আয়কর রিটার্ন দাখিল ও নির্ধারিত কর পরিশোধ করতে হয়।
ফ্রিল্যান্সার ও আইটি উদ্যোক্তাদের কর পরামর্শ কীভাবে দেন?
আইটি ও আইটিইএস (IT/ITES) খাতের অনুমোদিত বৈদেশিক আয়ের জন্য আইনগত কর সুবিধা রয়েছে। ফ্রিল্যান্সারদেরও ব্যাংকের পিআরসি (PRC) সংগ্রহপূর্বক আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়। নিরাপদ ব্যাংকিং ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের জন্য ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্পেশালাইজড ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স সেবা আমরা প্রদান করি।
কোম্পানি কর ও কর্পোরেট কমপ্লায়েন্সে আপনারা কী সেবা দেন?
অডিটেড অ্যাকাউন্টস অনুযায়ী কোম্পানি রিটার্ন, ভ্যাট নিবন্ধন (BIN), মাসিক ভ্যাট রিটার্ন, উৎসে কর (WHT/TDS) স্টেটমেন্ট, আরজেএসসি (RJSC) বার্ষিক ফাইলিং ও ট্রেড লাইসেন্সসহ সব ধরনের কর্পোরেট ট্যাক্স সার্ভিস (Corporate Tax Consultancy in Dhaka) আমরা প্রদান করি।
ভ্যাট (VAT/BIN) নিবন্ধন ও মাসিক রিটার্ন না দিলে কী হতে পারে?
ব্যবসা থাকা সত্ত্বেও ভ্যাট নিবন্ধন না নিলে বা প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে প্রতি মাসের জন্য ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। শূন্য লেনদেন হলেও নিয়মিত মাসিক রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
রিটার্নে ভুল তথ্য বা আয় গোপন করলে কী আইনি ঝুঁকি থাকে?
আয় বা সম্পদ গোপন করলে কর ফাঁকির অভিযোগে ২০০% পর্যন্ত জরিমানা, একতরফা অ্যাসেসমেন্ট এবং ব্যাংক হিসাব জব্দের আইনি ঝুঁকি থাকে। অভিজ্ঞ ইনকাম ট্যাক্স আইনজীবী (Tax Lawyer in Dhaka)-এর মাধ্যমে ফাইল অডিট করিয়ে নেওয়া জরুরি।
ট্যাক্স ফাইল অডিটে পড়লে বা বিরোধ সৃষ্টি হলে আপনারা কীভাবে সহায়তা করেন?
ডেপুটি কমিশনার অব ট্যাক্সেস (DCT)-এর অডিট শুনানি থেকে শুরু করে জয়েন্ট কমিশনার, ট্যাক্স কমিশনার (আপিল) এবং ট্যাক্স ট্রাইব্যুনাল পর্যন্ত আইনি নথিপত্র প্রস্তুত ও ক্লায়েন্টের পক্ষে শুনানিতে সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করেন আমাদের দক্ষ ট্যাক্স আইনজীবীরা।
নতুন ফাইল প্রস্তুতের জন্য আমাকে কী কী কাগজপত্র দিতে হবে?
এনআইডি, ই-টিআইএন কপি, পূর্ববর্তী বছরের রিটার্ন ও প্রাপ্তিস্বীকার (যদি থাকে), ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সব ব্যাংক স্টেটমেন্ট, স্যালারি সার্টিফিকেট বা ব্যবসার হিসাব, সঞ্চয়পত্র/ডিপিএস সনদ এবং সম্পদ কেনা-বেচার দলিলপত্র প্রয়োজন।
ফি কত?
ফি মূলত ফাইলের জটিলতার ওপর নির্ভর করে — একজন সাধারণ বেতনভোগীর রিটার্ন আর একাধিক আয়ের খাতসহ কোম্পানির কাজের পরিধি এক নয়। কাগজপত্র যাচাই ও প্রথম আলোচনার পরই সুনির্দিষ্ট ফি জানিয়ে দেওয়া হয়, আর আমাদের সেই প্রাথমিক আলোচনা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
প্যারাগন কনসালটেন্সি লিমিটেডকে কেন আয়কর পরামর্শক হিসেবে বেছে নেবেন?
ঢাকা ট্যাক্স বার অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত অভিজ্ঞ আয়কর আইনজীবী ও প্র্যাকটিশনারদের টিম নিয়ে আমরা কাজ করি। প্যারাগন প্রতিটি ফাইলের শতভাগ গোপনীয়তা নিশ্চিত করে, সর্বোচ্চ আইনসম্মত কর রেয়াত দেয় এবং ভবিষ্যতে অডিট বা নোটিশের ঝুঁকি থেকে ক্লায়েন্টকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে।
চেম্বারে সরাসরি আসার ঠিকানা এবং যোগাযোগের সময় কখন?
আমাদের চেম্বার শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা। সরাসরি চলে আসুন: স্যুট ডি, ১৪তম তলা, ট্রপিকানা টাওয়ার, ৪৫ তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, পুরানা পল্টন, ঢাকা ১০০০ (মতিঝিল ও পল্টন সংলগ্ন)। ফোন: 01999-953870, 02223-388868 | ইমেইল: itcp2019@gmail.com।