ব্যক্তি করদাতার জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর, যাকে কর দিবস বলা হয়। কোম্পানির ক্ষেত্রে সময়সীমা আলাদা।
সময়মতো না দিলে
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করলে জরিমানা ও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা প্রযোজ্য হতে পারে। জরিমানার পরিমাণ ও শর্ত করদাতার পরিস্থিতি এবং আইনের প্রাসঙ্গিক বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এর সঙ্গে বকেয়া করের ওপর সুদও যুক্ত হতে পারে।
দেরির আসল খরচ
জরিমানাই একমাত্র সমস্যা নয়। রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র না থাকলে ব্যাংক ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বা টেন্ডারে অংশগ্রহণ আটকে যায়। এক বছরের দেরি পরের বছরের কাজও জটিল করে তোলে।
সময় বাড়ানো যায় কি
যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে উপকর কমিশনারের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। তবে এটি স্বয়ংক্রিয় নয়, এবং সময় বাড়লেও বকেয়া করের সুদ থামে না।
নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভিড় বাড়ে। কাগজপত্র আগে গুছিয়ে রাখলে শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়ানো যায়।
এটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা জানতে চান?
সাধারণ ব্যাখ্যা আর আপনার নিজের ফাইল এক জিনিস নয়। আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
যোগাযোগ করুন