বাংলাদেশে নিবন্ধিত যেকোনো পাবলিক বা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে কর ও আইনি কমপ্লায়েন্স স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। কোম্পানি আইনের আওতায় রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC)-এ নিবন্ধিত প্রতিটি লিমিটেড কোম্পানিকে প্রতি বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (NBR) ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের পাশাপাশি আরজেএসসি-তে বার্ষিক নথি নবায়ন করতে হয়।
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী লিমিটেড কোম্পানির রিটার্নের সাথে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA ফার্ম) দ্বারা বিধিবদ্ধভাবে নিরীক্ষিত অডিটেড ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট (Audited Financial Statements) এবং আইসিএবি কর্তৃক ইস্যুকৃত ‘ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন কোড’ (DVC) সংযুক্ত করা আইনত বাধ্যতামূলক।
১. কোম্পানির জন্য অডিটেড হিসাব বিবরণী ও ডিভিসি (DVC) কেন আবশ্যক? • আইসিএবি (ICAB) নিবন্ধিত নিরীক্ষক দ্বারা নিরীক্ষা: কোম্পানির লাভ-ক্ষতি হিসাব (Profit & Loss Account), ব্যালেন্স শিট, ক্যাশ ফ্লো এবং নোটস চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা নিরীক্ষিত হতে হবে। • ভেরিফাইড ডিভিসি (Document Verification Code): এনবিআরের অনলাইন কর নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় এখন প্রতিটি অডিট রিপোর্টের একটি একক ডিভিসি নম্বর যাচাই করা হয়। ডিভিসিবিহীন অডিট রিপোর্ট দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে তা আইনত বাতিল এবং ভুয়া হিসেবে গণ্য হবে। • অডিট ব্যতীত পেনাল্টি: অডিটেড হিসাব বিবরণী ছাড়া কোম্পানি রিটার্ন দাখিল করলে ন্যূনতম জরিমানা ছাড়াও কর নির্ধারণকারী কর্মকর্তা সরাসরি উচ্চহারে কর ধার্য করতে পারেন।
২. লিমিটেড কোম্পানির ট্যাক্স ডে (Tax Day) ও সময়সীমা: ব্যক্তি করদাতার মতো কোম্পানির জন্য ৩০ নভেম্বর নির্ধারিত নয়। কোম্পানির ক্ষেত্রে সময়সীমা হলো: • হিসাব বছর সমাপ্তির পরবর্তী ৭ম মাসের ১৫ তারিখ অথবা প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি (যেটি আগে প্রযোজ্য)। • নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে কোম্পানির ওপর সাধারণ কর ছাড়াও অতিরিক্ত বিলম্ব সুদ (প্রতি মাসে ২%) এবং পেনাল্টি আরোপিত হয়।
৩. আরজেএসসি (RJSC) বার্ষিক রিটার্ন কমপ্লায়েন্স: কর ফাইলিংয়ের পাশাপাশি প্রতি বছর কোম্পানিগুলোর জন্য কিছু সংবিধিবদ্ধ আরজেএসসি ফাইলিং সম্পন্ন করতে হয়: • ফর্ম সি (Form C): শেয়ার মূলধন ও ব্যালেন্স বিবরণী। • ফর্ম ১২ (Form XII): পরিচালনা পর্ষদ বা পরিচালকদের তথ্য হালনাগাদকরণ। • বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) ও শিডিউল ১০ (Schedule X) ফাইলিং।
৪. নগদ লেনদেন ও করপোরেট কর হার ঝুঁকি: বর্তমানে নিবন্ধিত নন-লিস্টেড কোম্পানির ক্ষেত্রে ব্যাংকিং চ্যানেলের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নির্ধারিত ছাড়প্রাপ্ত করপোরেট কর হার প্রযোজ্য হয়। তবে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি নগদ লেনদেন করলে বা অনুমোদনহীন পরিচালন ব্যয় দেখালে উচ্চহারে করপোরেট ট্যাক্স আরোপিত হতে পারে।
৫. প্যারাগনের সম্পূর্ণ করপোরেট ও ডোরস্টেপ লিগ্যাল সাপোর্ট: কোম্পানির আর্থিক ফাইলিংয়ে সিএ অডিট ও আইনি নিখুঁততা নিশ্চিত করতে প্যারাগন ইনকাম ট্যাক্স কনসালটেন্সি লিমিটেড সরবরাহ করে ওয়ান-স্টপ সমাধান: • অডিট ও আরজেএসসি প্যাকেজ: অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (CA) দ্বারা ডিভিসিযুক্ত (DVC) নির্ভুল অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত এবং আরজেএসসি-এর বার্ষিক ফাইলিং এক প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন। • ডোরস্টেপ কনসিয়ারেজ সার্ভিস: ব্যাংকের রিকনসিলিয়েশন, ভাউচার ও খসড়া সংগ্রহ করতে আমাদের কর্পোরেট প্রতিনিধি সরাসরি আপনার প্রতিষ্ঠানে যান এবং কাজ শেষে সকল প্রত্যয়িত নথিপত্র সরাসরি ম্যানেজমেন্টের কাছে হস্তান্তর করেন। • আজীবন ফ্রি অডিট ও লিগ্যাল ডিফেন্স: প্যারাগনের মাধ্যমে ফাইলিংকৃত রিটার্নের বিপরীতে পরবর্তীতে এনবিআরের সার্কেল অফিস, কমিশনার বা ট্রাইব্যুনাল থেকে কোনো অডিট তলব বা নোটিশ এলে আমাদের সিনিয়র কর আইনজীবীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ড্রাফটিং ও লিগ্যাল ডিফেন্স প্রদান করেন।
চেম্বারের ঠিকানা: স্যুট ডি, ১৪তম তলা, ট্রপিকানা টাওয়ার, ৪৫ তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। হটলাইন: 01999-953870, 02223-388868 | প্রাথমিক কর্পোরেট ফাইল ও অ্যাকাউন্টস মূল্যায়ন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
এটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা জানতে চান?
সাধারণ ব্যাখ্যা আর আপনার নিজের ফাইল এক জিনিস নয়। আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
যোগাযোগ করুন