বাংলাদেশে আয়কর রিটার্ন দাখিলের মূলত দুটি আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি রয়েছে—জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) অফিসিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টালে অনলাইন ফাইলিং এবং নিজ নিজ কর সার্কেল অফিসে সনাতন পেপার বা কাগুজে ফাইলিং। আয়ের উৎস, ফাইলের জটিলতা এবং করদাতার সুবিধার ওপর নির্ভর করে সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়া যায়।
১. অনলাইন ই-রিটার্ন ফাইলিং (e-Return): ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এনবিআরের ই-রিটার্ন সিস্টেম অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কার্যকর মাধ্যম। • পদ্ধতি: করদাতার নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে নিবন্ধিত বায়োমেট্রিক সিম/মোবাইল নম্বর ও ১২ ডিজিটের ই-টিআইএন দিয়ে ereturn.nbr.gov.bd পোর্টালে সাইন-আপ করতে হয়। • সুবিধা: ঘরে বসেই আয়ের তথ্য, ব্যয়ের হিসাব ও সম্পদ বিবরণী ইনপুট দেওয়া যায়। সাবমিট করার সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয় প্রাপ্তিস্বীকারপত্র (Acknowledgment Receipt), কর সনদ (Tax Certificate) এবং প্রমাণপত্র (PSR) ডাউনলোড করা সম্ভব। • কাদের জন্য উপযোগী: চাকরিজীবী, একক আয়ের ব্যক্তি করদাতা এবং যাদের আয় ও সম্পদের কাঠামো তুলনামূলকভাবে সরল।
২. সার্কেল অফিসে পেপার ফাইলিং (Manual Paper Return): • পদ্ধতি: সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট রিটার্ন ফরম (স্বাভাবিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এক পাতার সহজ ফরম বা বিস্তারিত ফরম) যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যাংক বিবরণী ও প্রমাণাদিসহ নিজ কর অঞ্চলের উপ-কর কমিশনার (DCT) বরাবর দাখিল করা। • কাদের জন্য উপযোগী: জটিল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, একাধিক অংশীদারি ফার্ম, জটিল মূলধনী লাভ বা যেসকল ফাইলে বিশেষ অডিট অ্যাসেসমেন্ট ও পূর্ববর্তী বছরের সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়।
৩. রিটার্ন দাখিলে যে সকল নথি সঙ্গে রাখবেন: • বার্ষিক ব্যাংক হিসাব বিবরণী (জুলাই ১ থেকে জুন ৩০ পর্যন্ত)। • চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে বার্ষিক বেতন বিবরণী (Salary Statement)। • সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস বা জীবন বীমার কিস্তি জমার রিসিট (কর রেয়াতের জন্য)। • নতুন ক্রয়কৃত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দলিল ও ব্যাংক লোন বিবরণী।
৪. ভুল ফাইলিংয়ের ঝুঁকি ভুল কর অঞ্চলে পেপার রিটার্ন জমা দেওয়া অথবা অনলাইন পোর্টালে ভুল তথ্য ইনপুট করলে ভবিষ্যৎ অডিট ও জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে। তাই অভিজ্ঞ কর আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
৫. প্যারাগনের ঝামেলামুক্ত ডোরস্টেপ ও অনলাইন রিটার্ন সেবা কর ফাইলিং সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা দূর করতে প্যারাগন ইনকাম ট্যাক্স কনসালটেন্সি লিমিটেড দিচ্ছে শতভাগ নির্ভুল সেবা: • ডোরস্টেপ সুবিধা: আপনাকে জ্যাম ঠেলে অফিসে আসতে হবে না। আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধি আপনার বাসা বা অফিস থেকে কাগজপত্র সংগ্রহ করবেন এবং কাজ শেষে চূড়ান্ত রিটার্নের হার্ডকপি সরাসরি পৌঁছে দেবেন। • পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ও ডিজিটাল ফাইলিং: ঘরে বসেই সর্বোচ্চ দ্রুততায় অভিজ্ঞ ট্যাক্স লইয়ারদের তত্ত্বাবধানে ত্রুটিহীন রিটার্ন প্রস্তুত ও পিএসআর (PSR) নিশ্চিতকরণ। • আজীবন ফ্রি অডিট ও লিগ্যাল ডিফেন্স: প্যারাগনের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত ফাইলের ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ট্যাক্স অফিস থেকে কোনো অডিট, ব্যাখ্যা তলব বা নোটিশ জারি হলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আমরা লিগ্যাল ড্রাফটিং ও ট্রাইব্যুনাল ডিফেন্স প্রদান করি।
চেম্বারের ঠিকানা: স্যুট ডি, ১৪তম তলা, ট্রপিকানা টাওয়ার, ৪৫ তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। হটলাইন: 01999-953870, 02223-388868 | প্রাথমিক ফাইল মূল্যায়ন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
এটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা জানতে চান?
সাধারণ ব্যাখ্যা আর আপনার নিজের ফাইল এক জিনিস নয়। আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
যোগাযোগ করুন