আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির আয় কয়েকটি নির্দিষ্ট খাতে ভাগ করে হিসাব করা হয়। কোন খাতে কত আয়, সেটি আলাদা করে দেখানোই রিটার্নের ভিত্তি।
করযোগ্য আয়ের খাতগুলো
বেতন খাতে আসে চাকরি থেকে পাওয়া মূল বেতন, ভাতা, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা। গৃহসম্পত্তি খাতে আসে বাড়ি বা দোকান ভাড়া দিয়ে পাওয়া আয়। ব্যবসা বা পেশা খাতে আসে ব্যবসায়িক মুনাফা এবং পেশাগত আয়। মূলধনী মুনাফা খাতে আসে জমি, শেয়ার বা অন্য মূলধনী সম্পদ বিক্রি করে পাওয়া লাভ। কৃষি আয় ও ফার্মের আয়ের অংশ আলাদা খাত। আর যেসব আয় উপরের কোনোটিতে পড়ে না, সেগুলো অন্যান্য উৎস খাতে যায় — যেমন সুদ, লভ্যাংশ বা লটারির প্রাপ্তি।
করযোগ্যতা নির্ভর করে কিসের ওপর
সব আয়ই পুরোটা করযোগ্য নয়। প্রচলিত আইন, করমুক্ত সীমা এবং প্রযোজ্য বিধান মিলিয়ে ঠিক হয় কতটা কর বসবে। কিছু খাতে নির্দিষ্ট ছাড় আছে, কিছু ক্ষেত্রে উৎসেই কর কেটে রাখা হয়।
নিবন্ধন কেন আগে
কর দেওয়ার আগে নিবন্ধন লাগে, কারণ টিআইএন ছাড়া রিটার্ন দাখিল করা যায় না। নিবন্ধনের মাধ্যমেই আপনি করদাতা হিসেবে সরকারি খাতায় ওঠেন।
এটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা জানতে চান?
সাধারণ ব্যাখ্যা আর আপনার নিজের ফাইল এক জিনিস নয়। আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
যোগাযোগ করুন