ব্যক্তিগত আয়কর স্তরভিত্তিক, অর্থাৎ পুরো আয়ের ওপর একটি হার বসে না। করমুক্ত সীমার ওপরের অংশটুকু ধাপে ধাপে ভাগ হয় এবং প্রতিটি ধাপে আলাদা হার প্রযোজ্য হয়।
কাঠামোটি যেভাবে কাজ করে
প্রথমে করমুক্ত সীমা বাদ যায়। তারপর পরবর্তী এক লাখ টাকায় ৫ শতাংশ, তার পরের চার লাখে ১০ শতাংশ, তার পরের পাঁচ লাখে ১৫ শতাংশ, তার পরের পাঁচ লাখে ২০ শতাংশ এবং অবশিষ্ট অংশে ২৫ শতাংশ হারে কর বসে। খুব উচ্চ আয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ধাপে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত যায়।
একটি ভুল ধারণা
অনেকে ভাবেন আয় একটু বাড়লেই পুরো আয়ের ওপর বেশি হার বসবে। তা হয় না। বেশি হার কেবল ওই বাড়তি অংশটুকুর ওপরই বসে, আগের ধাপগুলো আগের হারেই থাকে। তাই আয় বাড়লে হাতে আসা টাকা কখনোই কমে না।
ন্যূনতম কর
স্তরের হিসাবে কর খুব কম এলেও একটি ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতে পারে, যা এলাকাভেদে নির্ধারিত। হিসাব করে দেখলে বোঝা যায় কোনটি প্রযোজ্য।
আমাদের সাইটের ক্যালকুলেটরে নিজের আয় বসিয়ে দেখতে পারেন — প্রতিটি ধাপে কত কর পড়ছে, তা আলাদা করে দেখাবে।
এটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা জানতে চান?
সাধারণ ব্যাখ্যা আর আপনার নিজের ফাইল এক জিনিস নয়। আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
যোগাযোগ করুন